বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের মৃত্যু বুড়ো বলায় আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারকে মাটিতে ফেললেন রোনালদো পবিত্র মক্কা শরিফে ড্রোন হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের নিন্দা তালাবদ্ধ কমিউনিটি ক্লিনিক, দেওয়াল টপকে ভেতরে গেলেন এমপি অসদাচরণের অভিযোগে সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ সাময়িক বরখাস্ত একনেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকায় ১২ প্রকল্প অনুমোদন অপরাধের ধরন বদলালে আইনও পরিবর্তন করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভূমি অফিসে হাজিরা নিশ্চিত করতে চালু হচ্ছে ‘ভূমিদৃষ্টি’ অ্যাপ নারীর পরিচয় কেবল কন্যা, মা বা স্ত্রীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়: ববি হাজ্জাজ এশিয়া গেমসে ব্যাটিং ব্যর্থ হলে বাদ পড়তে পারেন নারী দলের ব্যাটিং কোচ
  • আধ্যাত্মিক সমৃদ্ধির রাত: শবে বরাত ও দোয়া

    আধ্যাত্মিক সমৃদ্ধির রাত: শবে বরাত ও দোয়া
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    আবারও দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র শবে বরাত। ইসলামী ঐতিহ্য অনুযায়ী, এই রাতটি দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য বিশেষ বরকতের রাত। অতীতের ভুল ও গুনাহ স্মরণ করে সত্যিকারের তাওবা করা এবং ধারাবাহিক ইবাদত দ্বারা রাতটি যথাযথভাবে উদযাপন করা প্রয়োজন।

    রাতব্যাপী ইবাদতের জন্য প্রথমে মনোযোগসহকারে অজু নেওয়া উচিত এবং পরে কালেমা শাহাদাত পাঠ করা যাবে। মাগরিবের আযানের সময় মনোযোগসহকারে আযানের জবাব দিয়ে দুরুদ পাঠ করা ও আযানের দোয়া পড়ার পর মাগরিব ও আওয়াবিন নামাজ পড়া অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ। নামাজের ফাঁকে বা পরে ১৫ মিনিটের সন্ধ্যার যিকির অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

    শবে বরাতের রাতটি পড়াশোনা ও জ্ঞানার্জনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামি বই পড়ার মাধ্যমে তাওবার প্রতি গভীর আগ্রহ জন্মানো এবং জান্নাত ও জাহান্নামের নিয়ামত ও শাস্তি সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত। এশার নামাজের পর সুরা মুলক পাঠ এবং খাঁটি তাওবা করা এই রাতের বিশেষ আমল হিসেবে বিবেচিত।

    রাতব্যাপী নফল নামাজ, কুরআন তেলাওয়াত, সালাতুত তাসবিহের নামাজ, দুরুদ ও ইস্তেগফার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাহ ইত্যাদি ১০০ বার পাঠ করা অনুপ্রেরণামূলক।

    শবে বরাতের আমলগুলোর সঙ্গে দান ও সদকা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে এতিম, গরিব ও বিধবার প্রতি সহায়তা প্রদান করলে অতিরিক্ত সওয়াব পাওয়া যায়। এছাড়া কবরে গিয়ে বা বাড়ি থেকে দূর থেকে সালার জিয়ারত করা সুন্নাত হিসেবে প্রযোজ্য।

    রাতের শেষভাগে, রাত ৩টায় তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে সাহরি খাওয়া এবং দোয়া ও তাওবা করা উচিত। পরিশেষে, ফজরের নামাজ ও যিকিরের মাধ্যমে রাতের ইবাদত সম্পূর্ণ করা যায়।

    শবে বরাতের রাত যেন অবহেলা না হয়। এক ছোট আমলও বাদ না দিয়ে, মনোযোগসহকারে ইবাদত ও তাওবা করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য প্রয়োজন।


    দৈএনকে/জে, আ
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ