শরিফুলের ৪ উইকেট, তবু ১৯৯ রান তুলল জিম্বাবুয়ে

তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে শুরুতেই দারুণ বোলিং করে জিম্বাবুয়েকে চাপে ফেলে বাংলাদেশ। মাত্র ২৭ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। তবে ওয়েসলি মাধভেরে ও ব্র্যাড ইভান্সের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়ায় জিম্বাবুয়ে। শেষ পর্যন্ত ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানে অলআউট হয় তারা। ফলে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ২০০ রান।
হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টসে জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। তার সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রমাণ করেন পেসাররা। দলীয় ১২ রানে বেন কারানকে ২ রানে ফেরান শরিফুল ইসলাম। এরপর তাসকিন আহমেদের বলে ৬ রান করে আউট হন ব্রায়ান বেনেট।
ক্রেইগ আরভিন ও ইনোসেন্ট কাইয়া কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি বেশিক্ষণ টেকেনি। ২০ বলে ৫ রান করে শরিফুলের শিকার হন আরভিন। এরপর কাইয়ার সঙ্গে জুটি গড়ে ইনিংস মেরামতের কাজ শুরু করেন ওয়েসলি মাধভেরে।
দুজন মিলে স্কোরকে এগিয়ে নিলেও ৬৭ বলে ২৫ রান করে আউট হন কাইয়া। এরপর সিকান্দার রাজা কিছুক্ষণ ব্যাট করলেও ২৫ বলে ১১ রান করে তানভীর ইসলামের বলে ফিরে যান।
এক প্রান্তে আস্থার সঙ্গে ব্যাট করতে থাকা মাধভেরে ব্যক্তিগত ফিফটি তুলে নেন এবং পরে ইনিংস বড় করার চেষ্টা করেন। তবে শতকের সম্ভাবনা জাগিয়েও ৭৪ বলে ৭৫ রানে থামতে হয় তাকে।
শেষদিকে ব্র্যাড ইভান্স ঝোড়ো ব্যাটিং করে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন। তিনি ৪৩ বলে ৫০ রান করেন। তার ইনিংসের সুবাদেই জিম্বাবুয়ে ২০০ রানের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। শেষ পর্যন্ত ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। তাসকিন আহমেদ ও তানভীর ইসলাম দুটি করে উইকেট শিকার করেন। একটি উইকেট পান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। এখন ম্যাচ জিততে বাংলাদেশের প্রয়োজন ২০০ রান।