শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ‘আমার একটাই ছেলে, ওকে ছাড়া কীভাবে বাঁচব’ আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট দলে হৃদয়, ফিরলেন জাকের মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় হুমকি এলে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের আহ্বান ধর্মমন্ত্রীর রাজনৈতিক ফায়দা নিতে চাওয়া গোষ্ঠীর বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান সাকির ৩০ হাজার আসনের গ্যালারিতে ফাঁকা হাজারো চেয়ার, সাদামাটা এশিয়ান গেমসের উদ্বোধন গজারিয়ায় বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে চালকসহ নিহত ৪ রান্নাঘরে মজুত ককটেল বিস্ফোরণে আহত গৃহবধূর মৃত্যু ইরান যুদ্ধে মার্কিন সেনা নিহতের সংখ্যা নিয়ে নতুন তথ্য অপ্রতিম হত্যা: ১২ ঘণ্টায় একজন হেফাজতে, মিলেছে গুরুত্বপূর্ণ ক্লু ডিএমপির চার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনারকে বদলি
  • রান্নাঘরে মজুত ককটেল বিস্ফোরণে আহত গৃহবধূর মৃত্যু

    রান্নাঘরে মজুত ককটেল বিস্ফোরণে আহত গৃহবধূর মৃত্যু
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    শরীয়তপুরের জাজিরায় রান্নাঘরে মজুত করে রাখা ককটেল বিস্ফোরণে গুরুতর আহত রোকেয়া বেগম (৪০) নামে এক গৃহবধূ ১৪ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন।

    শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ঢাকার বনশ্রী এলাকার ফরাজী হাসপাতাল লিমিটেডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

    এর আগে গত ৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে উপজেলার মূলনা ইউনিয়নসংলগ্ন সেনেরচর ইউনিয়নের চরধুপুরিয়া চরকান্দি এলাকায় ফারুক ছৈয়ালের বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ফারুক ছৈয়ালের স্ত্রী রোকেয়া বেগম গুরুতর আহত হন।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে রান্নার জন্য রান্নাঘরে প্রবেশ করেন রোকেয়া বেগম। এ সময় রান্নাঘরে মজুত করে রাখা ককটেল একসঙ্গে বিস্ফোরিত হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

    বিস্ফোরণের বিকট শব্দে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় রান্নাঘরের টিনের চালা উড়ে পাশের বাঁশঝাড়ে গিয়ে পড়ে। এ ছাড়া সামাদ ছৈয়াল ও হাকিম ছৈয়ালের দুটি বসতঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    পরে স্থানীয়রা আহত রোকেয়া বেগমকে উদ্ধার করে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় পাঠান। পরে তাঁকে বনশ্রীর ফরাজী হাসপাতাল লিমিটেডে ভর্তি করা হয়।

    হাসপাতালটিতে ১৪ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শনিবার সকাল ১০টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

    ফরাজী হাসপাতাল লিমিটেডের হিসাব ব্যবস্থাপক হিমেল আহমেদ বলেন, রোকেয়া বেগম নামের ওই নারী তাঁদের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শনিবার সকাল ১০টার দিকে তিনি মারা যান। পরে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হলে তাঁর স্বজনেরা মরদেহ নিয়ে যান।

    জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহমেদ বলেন, হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় আহত গৃহবধূ রোকেয়া বেগম ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা গেছেন বলে তিনি শুনেছেন। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো কাগজপত্র থানায় পৌঁছায়নি।

    ওসি আরও বলেন, বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন