শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • মোহাম্মদপুরে কোটি টাকা চাঁদা দাবির মামলায় গ্রেপ্তার ৬ কালকিনিতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত ভোলার অতিরিক্ত জেলা জজের বিরুদ্ধে বিচারিক অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ডেঙ্গুতে এক সপ্তাহে ৩৩ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ১,৪৮৪ ডেঙ্গু মোকাবিলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের এগিয়ে আসার আহ্বান বরফ গলনে বদলাচ্ছে পৃথিবীর আকৃতি, মেরু উঠছে—বিষুবীয় ভূমি নামছে পশ্চিম তীরে প্রেস টিভির নারী সাংবাদিককে আটকের অভিযোগ গুলশান-বনানীর লেক দূষণ বন্ধে সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ দেবে সরকার হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৪৬
  • রাজনৈতিক সহিংসতা এবং সরকারের প্রতিক্রিয়া: ৩৬ দিনে ১৫ নেতাকর্মী নিহত

    রাজনৈতিক সহিংসতা এবং সরকারের প্রতিক্রিয়া: ৩৬ দিনে ১৫ নেতাকর্মী নিহত
    ছবি- সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের হত্যার সংখ্যা নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর প্রতিবেদনের বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার ব্যাখ্যা দিয়েছে।

    রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ বিষয়ে সরকারের বক্তব্য ও ব্যাখ্যা তুলে ধরেন।

    সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চলমান নির্বাচন ও ভোট সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। টিআইবি রিপোর্টে যে তথ্য উঠে এসেছে, তা সরকারের নজরে রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশি তদন্ত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।

    অন্তর্বর্তী সরকার আরও জানিয়েছে, কোনো ধরনের রাজনৈতিক সহিংসতা প্রশ্রয় পাবে না। ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু করার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আইন শৃঙ্খলা ও নজরদারি আরও কড়া করা হয়েছে। সরকার দাবি করেছে, রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা হলে তা দ্রুত তদন্ত ও শাস্তির আওতায় আনা হবে।

    এই ব্যাখ্যার মাধ্যমে সরকার আশা করছে, নির্বাচন-সংক্রান্ত ভীতি ও বিভ্রান্তি কমানো সম্ভব হবে এবং ভোটাররা নিরাপদ পরিবেশে ভোট দিতে পারবেন।


    ব্যাখায় বলা হয়, টিআইবি তাদের প্রতিবেদনে দাবি করেছে, নির্বাচনসূচি ঘোষণা হওয়ার ৩৬ দিনের মধ্যে ১৫ জন রাজনৈতিক নেতা ও কর্মী নিহত হয়েছেন। তবে, এই সংখ্যাটি সত্যতা যাচাই ছাড়াই দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।


    পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়কালে মাত্র পাঁচটি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি রাজনৈতিক প্রোফাইল বা কর্মকাণ্ডের সম্পর্ক আছে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল ওসমান হাদির নির্মম হত্যাকাণ্ড, যাকে মোটরসাইকেল থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

    সরকারের বক্তব্যে বলা হয়, প্রতিটি হত্যাকাণ্ডই নিন্দনীয়। ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড ছিল বিশেষভাবে নির্মম, যেন একটি তরুণ রাজনৈতিক নেতাকে চুপ করানো এবং সংবেদনশীল রাজনৈতিক মুহূর্তে ভয় সৃষ্টি করা যায়। তবে, সে উদ্দেশ্য সফল হয়নি। দেশের পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হিংসার দিকে গড়ায়নি এবং নির্বাচনি প্রক্রিয়া বিঘ্নিত হয়নি।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন