জ্বালানি সাশ্রয়ে বড় পদক্ষেপ: সাপ্তাহিক ছুটি বৃদ্ধি ও অনলাইন ক্লাসের প্রস্তাব যাচ্ছে মন্ত্রিসভায়

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার প্রভাবে দেশের জ্বালানি খাতে চাপ তৈরি হয়েছে। নতুন সরবরাহ কমে যাওয়ায় মজুদ ব্যবহার করে পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার কিছু সাশ্রয়ী পদক্ষেপ গ্রহণের কথা ভাবছে। এর মধ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের সাপ্তাহিক ছুটি বৃদ্ধি এবং অফিসের সময়সূচি পরিবর্তনের পাশাপাশি ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ চালুর প্রস্তাব রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা শেষে চূড়ান্ত হবে বলে সূত্রে জানা গেছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও আংশিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। মঙ্গলবার শিক্ষামন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে স্কুল পর্যায়ে অনলাইন ও সশরীরে ক্লাস সমন্বয় করার বিষয়ে আলোচনা চলছে এবং মন্ত্রিসভা বৈঠকে বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে।
অন্যদিকে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি দপ্তরগুলোকে ১১ দফা নির্দেশনা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে রয়েছে—
অফিসে সকাল ৪০ মিনিট বাধ্যতামূলক উপস্থিতি নিশ্চিত করা
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সংযম
অফিসকক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা
রোববার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে অধীন দপ্তর, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) কাছে এই নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।
সরকার আশা করছে, এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে জ্বালানি সাশ্রয় ও কার্যক্রমের ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা কমানো যাবে।