বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • ডেঙ্গু মোকাবিলায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের এগিয়ে আসার আহ্বান বরফ গলনে বদলাচ্ছে পৃথিবীর আকৃতি, মেরু উঠছে—বিষুবীয় ভূমি নামছে পশ্চিম তীরে প্রেস টিভির নারী সাংবাদিককে আটকের অভিযোগ গুলশান-বনানীর লেক দূষণ বন্ধে সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার ঋণ দেবে সরকার হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৪৬ জ্বালানি সংকটে এখনো কোনো পোশাক কারখানা বন্ধ হয়নি: বিজিএমইএ উপনির্বাচনে সেনাবাহিনী ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করবে ইসি ঢাকা-রংপুর লংমার্চ শান্তিপূর্ণ হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার ভারতে যাওয়ার পথে আওয়ামী লীগ নেতা এম এ খালেক গ্রেপ্তার
  • ভোরের স্নিগ্ধ আলোয় নতুন বছরের শুভসূচনা

    ভোরের স্নিগ্ধ আলোয় নতুন বছরের শুভসূচনা
    ছবি : সংগৃহীত
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    নতুন বছরের প্রথম প্রভাতে সূর্যের আলো ফুটতেই রাজধানীর রমনার বটমূলে ভিড় জমায় হাজারো মানুষ। বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে স্বাগত জানাতে শুরু হয়েছে ছায়ানটের ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ অনুষ্ঠান। সকাল সোয়া ৬টায় সম্মিলিত কণ্ঠে ‘জাগো আলোক-লগ্নে’ গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে উৎসবের সূচনা হয়।

    এরপর ধারাবাহিকভাবে পরিবেশিত হয় বিভিন্ন রবীন্দ্রসংগীত, যার মধ্যে ছিল ‘এ কী সুগন্ধহিল্লোল বহিল’, ‘তোমার হাতের রাখীখানি বাঁধো আমার দক্ষিণ হাতে’ এবং ‘বাজাও আমারে বাজাও’। পাশাপাশি পরিবেশনায় স্থান পেয়েছে দেশের খ্যাতিমান কবি ও সুরকারদের গান—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, লালন সাঁই, দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, অজয় ভট্টাচার্য, আবদুল লতিফ, জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র, মাতলুব আলী ও সলিল চৌধুরীর সৃষ্টিগুলো।

    অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন খায়রুল আনাম শাকিল, লাইসা আহমদ লিসা, নাসিমা শাহীন, চন্দনা মজুমদার, ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, শারমিন সাথী ইসলাম ময়না, মিরাজুল জান্নাত সোনিয়া, সমুদ্র শুভম, ঐশ্বর্য সমদ্দার এবং প্রিয়ন্তু দেবসহ আরও অনেক শিল্পী।

    এবারের বর্ষবরণের মূল প্রতিপাদ্য—‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’। পুরোনো বছরের সব গ্লানি ও প্রতিবন্ধকতা পেছনে ফেলে আরও মানবিক ও প্রগতিশীল সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

    প্রভাতী এই অনুষ্ঠানে মোট ২২টি সংগীত পরিবেশিত হচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে ৮টি সম্মেলক এবং ১৪টি একক পরিবেশনা। এছাড়াও রয়েছে দুটি আবৃত্তি পর্ব। শিশু, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বিশিষ্ট শিল্পীসহ প্রায় ২০০ জন অংশ নিচ্ছেন এই আয়োজনে।

    উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সাল থেকে ছায়ানট রমনার বটমূলে পয়লা বৈশাখ উদযাপন করে আসছে। সময়ের পরিক্রমায় এই আয়োজন দেশের সব শ্রেণি, ধর্ম ও বর্ণের মানুষের জন্য এক সর্বজনীন সাংস্কৃতিক উৎসবে পরিণত হয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন