শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • হত্যাকারী যে-ই হোক, রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে রেহাই নয়’,স্বজনদের হুঁশিয়ারি। ২২ বছর বয়সেই দ্বিতীয় সন্তানের মা হলেন মিলি ববি ব্রাউন দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম বাহরাইনে বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক থাকার পরামর্শ রিয়াদে ভোরে বিস্ফোরণের শব্দ, বিমান হামলার সতর্কতা জারি হুথিদের দুটি ঘাঁটি দখলের দাবি ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর সব জেলা পরিষদ ভবনে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ হজে যেতে পারবেন না যেসব ব্যক্তি, প্রাথমিক নিবন্ধনের শেষ সময় ২৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ডিএমপির অভিযানে ৫১৫ জন গ্রেপ্তার, বিপুল মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার
  • জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

    জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে আগামীকাল জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে তিতাসের আরও তিনটি এবং বাখরাবাদের একটি কূপ থেকে অতিরিক্ত প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে।

    বিজিএফসিএলের কর্মকর্তারা জানান, তিতাস-২৮ নম্বর কূপের খননকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। উদ্বোধনের পরপরই কূপটি জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। তিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১ এবং বাখরাবাদ-১১ নম্বর কূপের কাজও এগিয়ে চলছে।

    সবগুলো কূপ সফলভাবে উৎপাদনে এলে তিতাস-২৮সহ পাঁচটি কূপ থেকে দৈনিক সর্বোচ্চ প্রায় ৬৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে।

    বিজিএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম বলেন, তিতাস-২৮ নম্বর কূপের উদ্বোধনের পরপরই উৎপাদন শুরু হবে। এতে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়বে এবং আমদানিনির্ভরতার চাপ কমাতে সহায়তা করবে।

    ‘তিতাস ও কামতা ফিল্ডে ৪টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন’ প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী এ কে এম জসীম উদ্দিন জানান, তিতাস-২৮ নম্বর কূপের খননকাজ প্রায় এক মাস আগে শেষ হয়েছে। কূপটির গভীরতা প্রায় ১৩ হাজার ফুট। প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তিতাসসহ কয়েকটি কূপ খননের কাজ চলছে।

    তিনি জানান, তিতাস-২৯ নম্বর কূপের মূল খননকাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে লগিংসহ আনুষঙ্গিক কাজ চলছে। এসব কাজ শেষ করে আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে কূপটি উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত করার আশা রয়েছে। এ কূপ থেকে দৈনিক ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    তিতাস-৩০ নম্বর কূপের কাজও আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। কূপটি থেকে দৈনিক ১০ থেকে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশা করছে বিজিএফসিএল।

    এদিকে তিতাস-৩১ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপের খননকাজ গত ১৯ এপ্রিল শুরু হয়েছে। বিজিএফসিএলের গভীর অনুসন্ধান গ্যাস কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মাহমুদুল নবাব জানান, এরই মধ্যে কূপটির গভীরতা প্রায় ৪ হাজার ৯২০ মিটারে পৌঁছেছে। লক্ষ্যমাত্রা গভীরতা ৫ হাজার ৬০০ মিটার।

    ভূতাত্ত্বিক জটিলতা না হলে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে তিতাস-৩১-এর কাজ শেষ হতে পারে। কূপটি সফল হলে দৈনিক প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    তিতাস-৩১-এর পর বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের ১১ নম্বর গভীর কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। এর লক্ষ্যমাত্রা গভীরতা ৪ হাজার ৫০০ মিটার। কূপটি সফল হলে দৈনিক প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে।

    কর্মকর্তাদের হিসাবে, তিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১ থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ৪৫ মিলিয়ন এবং বাখরাবাদ-১১ থেকে প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে। তিতাস-২৮-এর ১২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট যোগ হলে পাঁচটি কূপ থেকে মোট প্রায় ৬৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে।

    তিতাস-৩১ অনুসন্ধানমূলক কূপ হওয়ায় সেখানে নতুন গ্যাসের মজুত পাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, কূপটির মাধ্যমে প্রায় দুই ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) অতিরিক্ত মজুতের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে খনন ও বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরই এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন