শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • আর্জেন্টিনার ম্যাচের ভেন্যুতে পরিবর্তন, লা বোম্বোনেরায় হতে পারে বুরকিনা ফাসো ম্যাচ হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, নতুন রোগী ১,২৯৭ হামের চিকিৎসায় মহাখালী হাসপাতাল, নেই পিআইসিইউ-এনআইসিইউ; সংকটে সেবাব্যবস্থা হামজা-শামিতসহ ৯ প্রবাসী, আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের ২৩ সদস্যের দল পাকিস্তানে মসজিদের গেটে গাড়িবোমা, নিহত ১৬ ‘না’ ভোট না দেওয়ায় একাত্তরের ভূমিকা মেনে নিয়েছে জামায়াত: আইনমন্ত্রী মালিবাগে সোহাগ পরিবহনের কাউন্টারের পাশে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ডাসারে সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন করলেন এমপি খোকন যাত্রাবিরতিতে ঢাকায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী, বিমানবন্দরে স্বাগত কারাগারের বদলে বাড়িতেই সাজা ভোগ করবেন নাজিব রাজাক
  • সন্দ্বীপে বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের কাজ থেমে আছে, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান

    সন্দ্বীপে বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের কাজ থেমে আছে, ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মগধরা ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ এলাকায় অবস্থিত দারুসসালাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণ প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময় পার হলেও এখনো শেষ হয়নি। ফলে জরাজীর্ণ পুরাতন ভবনে পাঠদান চালাতে গিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

    বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২১৭ জন। তবে দীর্ঘদিন ধরে নতুন ভবনের নির্মাণকাজ শুরু না হওয়ায় পুরাতন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের মাত্র ৩টি কক্ষে ভাগ করে ৬টি শ্রেণির পাঠদান চালাতে হচ্ছে। এতে শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

    বিদ্যালয়টি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন পূর্ব সন্দ্বীপের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মাস্টার এ ওয়াই এম ছায়েদুল হক। ২০১৩ সালে এটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।

    ভবন নির্মাণে ধীরগতি

    বর্তমানে  ৪ তলা বিশিষ্ট স্কুল ভবন নির্মাণের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় ১ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। নির্মাণকাজ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এবং কার্যাদেশ দেওয়া হয় মের্সাস গ্লোব এন্টারপ্রাইজ নামক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে।

    চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি নির্মাণকাজ শুরু হলেও ৩০ জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও এখনও পর্যন্ত ৫০ শতাংশ কাজও সম্পন্ন হয়নি। বর্তমানে স্কুল চত্বরে ফেলে রাখা নির্মাণসামগ্রী ও অসমাপ্ত ভবনের কারণে ছাত্রছাত্রীরা খেলাধুলা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছে।

    শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ ও দাবী

    বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী জানায়, “নতুন ভবনের কাজ এখনও শেষ হয়নি। আমাদের পুরাতন ভবনে গাদাগাদি করে ক্লাস করতে হয়। প্রচণ্ড গরমে কষ্ট হয়, স্যারেরাও কষ্ট পান।”

    অন্য একজন শিক্ষার্থী বলেন, “নতুন ভবনটা হলে ভালোভাবে ক্লাস করতে পারতাম। এখন তো না বসে, না চলাফেরা করে ভালোভাবে পড়াও হয় না।”

    বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, “আমরা বারবার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে অনুরোধ করছি কাজটি দ্রুত শেষ করতে। এখন যে ভবনে ক্লাস নিচ্ছি সেটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ, আর দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েই যাচ্ছে।”

    স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার নাজিম উদ্দীন বলেন, “শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে—তা সত্য। আমরা এলজিইডি ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য চাপ দিচ্ছি।”

    প্রতিশ্রুতি ও প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্যে পার্থক্য থেকেই যাচ্ছে। আর তার খেসারত দিচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতিতে শিক্ষার পরিবেশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, যা অনতিবিলম্বে সমাধান প্রয়োজন
     


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন