শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Natun Kagoj
শিরোনাম
  • হত্যাকারী যে-ই হোক, রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে রেহাই নয়’,স্বজনদের হুঁশিয়ারি। ২২ বছর বয়সেই দ্বিতীয় সন্তানের মা হলেন মিলি ববি ব্রাউন দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম বাহরাইনে বাংলাদেশিদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক থাকার পরামর্শ রিয়াদে ভোরে বিস্ফোরণের শব্দ, বিমান হামলার সতর্কতা জারি হুথিদের দুটি ঘাঁটি দখলের দাবি ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর সব জেলা পরিষদ ভবনে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ হজে যেতে পারবেন না যেসব ব্যক্তি, প্রাথমিক নিবন্ধনের শেষ সময় ২৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস ডিএমপির অভিযানে ৫১৫ জন গ্রেপ্তার, বিপুল মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার
  • ফরিদগঞ্জে চাচার হাতে ভাতিজা খুন: আটক ৩

    ফরিদগঞ্জে চাচার হাতে ভাতিজা খুন: আটক ৩
    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    মাত্র ৫০ হাজার টাকার জন্য আপন চাচা ও চাচাতো ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল প্রবাস ফেরত বাবুর (২২)। রক্তে ভেসে গেল বাড়ির আঙিনা। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গলা কেটে মুহূর্তেই নিথর হয়ে পড়লেন তিনি। মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন বাবা রওশন আলী (৫৫) ও ছোট ভাই আরমান (২০)। এ নির্মম ঘটনার পর ক্ষুব্ধ জনতা ঘাতক পিতা, পুত্র ও পুত্রবধূকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

    মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটেছে সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৪নং সুবিদপুর পশ্চিম ইউনিয়নের বড়গাঁও গ্রামের গাজী বাড়িতে।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, নিহত বাবু, তার পিতা রওশন আলী ও ছোট ভাই আরমানকে ডেকে নেন রওশনের ভাই হাসান (৫০)। বাবুকে বিদেশ পাঠাতে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন হাসান সেই টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে হাসান, তার ছেলে শাকিল (২৫) এবং পুত্রবধূ সুমাইয়া (২০) মিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালান।

    প্রথমে ছুরিকাঘাতে বাবুর পেটে ছোরা ঢুকে যায়। পরে তাকে জবাই করা হয়। পুত্রবধূ সুমাইয়া অস্ত্র এগিয়ে দেন, আর হাসান ও শাকিল এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই বাবুর মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত রওশন আলী ও আরমানকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তারা মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

    বাবুর শ্বশুর কামাল ও স্থানীয়রা জানান, হাসানের টাকা পাওয়ার দাবি মিথ্যা। বিষয়টি নিয়ে রোববার বিকেলে সাহার বাজারে সালিস বসে এবং সোমবার বিকেলে আবার বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই ঘটল এ হত্যাকাণ্ড।

    হত্যাকাণ্ডের পর হাছান ঘরের ভেতরে লুকিয়ে ছিল, স্থানীয় লোকজন তাকে আটক করে এবং পাশের একটি ঘরে শাকিলের স্ত্রী সুমাইয়া পালিয়ে থাকলে তাকেও আটক করে। এরমধ্যে শাকিল বাড়ি থেকে পালিয়ে মুন্সির হাটে গেলে কিছু লোকজন তাকে চিনতে পারে এরপর তাকে আটক করে ঘটনাস্থলে নিয়ে আসলে উৎসুক জনতা গণধোলাই দেয়, পুলিশ গণধোলাই এর হাত থেকে রক্ষা করে। ঘটনা সামাল দিতে ফরিদগঞ্জে অবস্থানরত সেনাবাহিনীর সহায়তায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

    নৃশংস হত্যার খবর ছড়িয়ে পড়লে কয়েক হাজার মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে হিমশিম খেতে হয়। খবর পেয়ে চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ফরিদগঞ্জ – হাজীগঞ্জ) সার্কেল মুকুর চাকমা এবং ডিবি পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেন।

    ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে টাকা-পয়সার লেনদেনের বিষয়টি জানা গেছে। সালিস বৈঠকের আগেই এই ঘটনা ঘটে। আটক তিনজনকে থানায় আনা হয়েছে, আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


    গুগল নিউজে (Google News) নতুন কাগজ’র খবর পেতে ফলো করুন

    সর্বশেষ

    আরও পড়ুন